আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক উন্নয়ন কাজে স্থবিরতা, জনদুর্ভোগ চরমে
সারা দেশ

আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক উন্নয়ন কাজে স্থবিরতা, জনদুর্ভোগ চরমে

reporter-icon
নাদিম তালুকদার: স্টাফ রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
ডিসেম্বর ৫, ২০২৫ | 0
আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক উন্নয়ন কাজে স্থবিরতা, জনদুর্ভোগ চরমে
আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক উন্নয়ন কাজে স্থবিরতা, জনদুর্ভোগ চরমে
টাঙ্গাইলের আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর হয়ে সদর পর্যন্ত ৫০ কিলোমিটার গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক মহাসড়কের উন্নয়ন ও প্রসারণ প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ২০২4 সালের মধ্যেই কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও আজও প্রকল্পের অগ্রগতি ‘কচ্ছপ গতির’ বেশি নয়। ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা, এলাইমেন্ট নকশায় বারবার পরিবর্তন, বনবিভাগের গাছের মূল্য নির্ধারণে বিলম্ব ও পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের অসহযোগিতা—সব মিলিয়ে প্রকল্পটি এখন প্রায় স্থবির। এতে শুধু দৈনিক যাতায়াতকারীরাই নয়, বাণিজ্য, কৃষিপণ্য পরিবহন ও জরুরি সেবাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রকল্পের কাজ দেরিতে হওয়ায় মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে মাটি ভরাট করে রেখে দেওয়া, নির্মাণ সামগ্রী স্তূপ করে রাখা, পুরাতন রাস্তায় বিশাল গর্ত—এসব কারণে রাস্তার অবস্থা এখন ভয়াবহ।জরুরি রোগী পরিবহন, শিক্ষক–শিক্ষার্থীর দৈনিক যাতায়াত, কৃষিপণ্য ও শিল্পপণ্যের ট্রাক—সবাই একই দুর্ভোগের শিকার। দেলদুয়ার, নাগরপুর ও টাঙ্গাইল সদরের একমাত্র কানেক্টিং আঞ্চলিক মহাসড়কটি প্রায় ব্যবহার-অনুপযোগী। কয়েক লক্ষাধিক মানুষের প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় এ পথ দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। যানবাহনের রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেড়ে গেছে কয়েক গুণ। অনেক চালকদের মতে, “এই রাস্তায় গাড়ি ওঠা মানেই ক্ষতির ঝুঁকি।” টাঙ্গাইল জেলা ভূমি অধিগ্রহণ শাখা জানায়—মোট ৪৬টি মৌজায় ২৪৫.৫৫৭৭ একর জমি অধিগ্রহণের কাজ প্রায় তিন বছর ধরে চললেও পুরোপুরি শেষ হয়নি এখনো। কেস নং ৩২, ৩৩ ও ৩৪–এর ক্ষতিপূরণ প্রদান চলমান কেস ৩১–এর আওতায় অলোয়া, বরটিয়া ও ভবানী এলাকায় ৮ ধারা নোটিশ দেওয়া হয়েছে।কেস নং ২২, ২৩, ২৫, ২৬ ও ৩০–এ আপত্তি শুনানি ও তদন্ত চলছে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে জমির মূল্যহার পাঠানো হয়নি—চাষাভাদ্রা, সাটিয়াগাজী, আররা কুমেদ, ভাদ্রা, টেংরীপাড়াসওজের এলাইমেন্ট নকশা আটকে আছে—দুয়াজানি, বাড়াপুষা, কাঠুরি, বাবনাপাড়া, ঘিওরকোল, ডাঙ্গা।বনবিভাগের গাছের মূল্য নির্ধারণে বিলম্বে কেস নং ১৫ ও ২৪ স্থবির।এই দীর্ঘসূত্রতায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন প্রকৃত জমির মালিকরা, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এবং সবচেয়ে বেশি—সাধারণ মানুষ। সিএনজি যাত্রী জাহানারা আক্তার বলেন— “প্রতিদিন টাঙ্গাইল শহরে যাওয়ার জন্য এ পথ ব্যবহার করি। পাঁচ মিনিটের ঝাঁকুনিতেই মানুষ অসুস্থ হয়ে যায়। জরুরি প্রয়োজনে ছাড়া আমরা আর শহরে যেতে চাই না।” ট্রাকচালক শহীদ মিয়া বলেন— “বড় বড় গর্তে ভরা রাস্তা। গাড়ির হায়াত কমে যায়, দুর্ঘটনা বাড়ে, খরচ বাড়ে। এই রাস্তায় ট্রাক নিয়ে চলা মানেই ঝুঁকি।” এনডিই-এর প্রজেক্ট ম্যানেজার আবু তালিব ফাহমিদুর রহমান জানান— “শুধু মানুষই ভুক্তভোগী নয়, আমাদের প্রতিষ্ঠানেরও লাখ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। শ্রমিক, মাটি বহন, উপকরণ পরিবহন—সব ব্যয় দ্বিগুণ হয়েছে। পুরোপুরি কাজ শুরু করতে না পারায় প্রকল্প অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত।” টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. সিনথিয়া আজমিরী খান জানান— “দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা ও বিভিন্ন সংস্থার অনুমোদন বিলম্বে কাজ থমকে গেছে। তবে ব্যয় বৃদ্ধি ছাড়াই কাজের মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়ানোর প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।” এদিকে ১৬৩৫ কোটি ১০ লাখ টাকার প্রকল্পে শুধু টাঙ্গাইল অংশের জন্য বরাদ্দ ১১৩৫ কোটি টাকার বেশি। চার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান—ডিয়েনকো, হাসান টেকনো, মীর ব্রাদার্স ও এনডিই—প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান— “ডিসি স্যারের বিশেষ নজরদারিতে সব জটিলতা দ্রুতই সমাধান করা হবে। ক্ষতিগ্রস্তদের টাকা দ্রুতই প্রদান করা সম্ভব হবে। নাগরপুর, দেলদুয়ার, ঘাটাইল, দৌলতপুর অঞ্চলের মানুষ বহু বছর ধরে অপেক্ষায়। কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ, ব্যবসা-বাণিজ্য, স্কুল–কলেজে যাতায়াত, রোগী পরিবহন—সবখানে এই পথের প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয়দের একটাই দাবি— “রাজনৈতিক জটিলতা, ফাইল–পত্র আর বিভাগীয় সিদ্ধান্তে যদি রাস্তা আটকে থাকে, তবে ক্ষতি হয় শুধু আমজনতারই।” অনেকেই আশা করছেন—মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব চূড়ান্ত হলে আগামী দুই বছরের মধ্যেই মহাসড়কটি আধুনিক ও নিরাপদ সড়ক হিসেবে চালু হবে।
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

সারা দেশ

আরও পড়ুন
পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার, টাঙ্গাইলে ৫৭তম টিআরসি ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত

পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার টাঙ্গাইলে ৫৭তম টিআরসি ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি), টাঙ্গাইলে ৫৭তম টিআরসি (জুন ২০২৫ ব্যাচ)-এর প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার অনন্য প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে নবীন পুলিশ সদস্যরা তাঁদের দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের সফল সমাপ্তি ঘোষণা করেন।সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন জনাব সরদার নূরুল আমিন বিপিএম অ্যাডিশনাল আইজি (ডেভেলপমেন্ট) এবং অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাডিশনাল আইজি (এইচআরএম), বাংলাদেশ পুলিশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা। কুচকাওয়াজ শেষে প্রধান অতিথি প্রশিক্ষণে সর্বোচ্চ দক্ষতা ও কৃতিত্ব প্রদর্শনকারী শ্রেষ্ঠ প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে ক্রেস্ট বিতরণ করেন। এ সময় তিনি নবীন পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি রক্ষা এবং জনগণের আস্থা অর্জনে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও কর্মজীবনে সাফল্য কামনা করেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ আশফাকুল আলম, কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার টাঙ্গাইল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ইউনিটের অ্যাডিশনাল ডিআইজিবৃন্দ জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার পুলিশ সুপার টাঙ্গাইলসহ বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ গণমাধ্যমকর্মী এবং প্রশিক্ষণার্থীদের অভিভাবকবৃন্দ। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে নবীন পুলিশ সদস্যদের শৃঙ্খলাবদ্ধ কুচকাওয়াজ ও দক্ষতা প্রদর্শন দর্শকদের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়।

ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ 0

নির্বাচনী প্রস্তুতি তদারকিতে কালিহাতি ও ভুঞাপুরে জেলা প্রশাসকের সরেজমিন পরিদর্শন

আসন্ন সংসদ নির্বাচন: গোপালপুরে ধানের শীষের পক্ষে বিএনপির বিশাল মিছিল

সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকার প্রত্যয়ে যাত্রা শুরু করল টাঙ্গাইল-জামালপুর জেলা প্রেস ক্লাব

কালিহাতীতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে যৌথ বাহিনীর টহল

কালিহাতীতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে যৌথ বাহিনীর টহল আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় যৌথ বাহিনীর টহল কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সহকারী কমিশনার (ভূমি) কালিহাতী টাঙ্গাইল ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ যৌথ টহল পরিচালনা করা হয়। টহল চলাকালে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সদস্যরা নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে সতর্ক অবস্থানে থাকার পাশাপাশি সাধারণ জনগণের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ জোরদার করেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো অনিয়ম বা আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে এ সময় জানানো হয়।

ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস–২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে কুইজ প্রতিযোগিতা

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মির্জাপুর উপজেলা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

জামালপুর জেলায় যোগদান করলেন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার এম. এ. ফয়সাল

ঘাটাইলে দুমড়েমুচড়ে যায় সিএনজি

ঘাটাইলে দুমড়েমুচড়ে যায় সিএনজি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর এলাকায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজি অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। শনিবার (রাত) আনুমানিক রাত ৮টার দিকে টাঙ্গাইল–ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন—ঘাটাইল উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের গারোবাজার এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে শহীদুল ইসলাম (৫০) এবং দক্ষিণ গোপালপুর এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে শফিউল ইসলাম (৩৫)। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায় শনিবার রাতে একটি সিএনজি অটোরিকশা টাঙ্গাইল থেকে ঘাটাইলের দিকে যাচ্ছিল। পথে হামিদপুর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাকের সঙ্গে সিএনজিটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজিটি দুমড়েমুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই দুই যাত্রী নিহত হন। খবর পেয়ে ঘাটাইল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি নিয়ে চালক পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন মহাসড়কে বেপরোয়া ট্রাক চলাচলের কারণেই এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা দ্রুত পলাতক ট্রাকচালককে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোকসেদুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘাতক ট্রাক ও পলাতক চালককে শনাক্ত করতে অভিযান চলছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারকারী অফিসার ও ফোর্সদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

ইতিহাসের সেরা নির্বাচন উপহার দিতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ — মাননীয় ডিআইজি ঢাকা রেঞ্জ

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল অভিযান অব্যাহত

0 মন্তব্য