Lawandcrime

আইন-অপরাধ

চোরাই ফোনের সরঞ্জাম ও নগদ অর্থ সহ গ্রেফতার ০২

ডিবি (উত্তর), ঢাকা জেলা-০৩/০২/২০২৬ খ্রি. ঢাকা জেলার ডিবি (উত্তর) কর্তৃক চোরাই মোবাইল ফোনের IMEI নম্বর পরিবর্তনের সফটওয়্যার, একটি ল্যাপটপ, IMEI নম্বর পরিবর্তিত ০৯ টি চোরাই মোবাইল ফোন, চোরাই মোবাইল ফোনের লক খোলার বিভিন্ন সরঞ্জামাদি ও নগদ অর্থসহ ০২ জন গ্রেফতার।ঢাকা জেলা পুলিশের অভিভাবক জনাব মোঃ মিজানুর রহমান, পুলিশ সুপার, ঢাকা মহোদয়ের নির্দেশনায় বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে ঢাকা জেলার ডিবি (উত্তর) এর অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ সাইদুল ইসলাম এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ আরিফুল ইসলাম সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ গত ০২/০২/২০২৬ খ্রি. তারিখ ২২:৩০ ঘটিকায় সাভার মডেল থানাধীন সাভার সিমলিম টাওয়ার মার্কেট এর ভিতর হইতে চোরাই মোবাইল ফোনের IMEI নম্বর পরিবর্তন চক্রের সদস্য ১। জালাল (৪০), পিতা-মৃত বাবর আলী, মাতা-রেজিয়া, সাং-উত্তর চাপাইন লালটেক, পোস্ট-সিআরপি, থানা-সাভার, জেলা-ঢাকা, ২। মোঃ ইকরামুল হোসেন (২৫), পিতা-আব্দুল কুদ্দুস, মাতা-জাইদা বেগম, সাং- সুলতানপুর, থানা-দামুড়হুদা, জেলা-চুয়াডাঙ্গা, এ/পি সাং-শাহীবাগ (মুন্সিভবন), থানা-সাভার, জেলা-ঢাকাদ্বয়কে ১। চোরাই মোবাইল ফোনের IMEI নম্বর পরিবর্তনের সফটওয়্যার, ২।০১ (এক) টি ল্যাপটপ, ৩। IMEI নম্বর পরিবর্তিত ০৯ টি চোরাই মোবাইল ফোন, ৪। চোরাই মোবাইল ফোনের লক খোলার বিভিন্ন সরঞ্জামাদি ও ৫। নগদ ৯০০/- (নয়শত) টাকাসহ গ্রেফতার করেন । তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ধৃত ২নং আসামী IMEI নম্বর পরিবর্তন চক্রের মূল হোতা। তাদের দলে ১০-১২ জন সদস্য রয়েছে যারা রাস্তায় চুরি, ছিনতাই ও লুণ্ঠনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মোবাইল ফোন সংগ্রহ করে ১নং আসামীর কাছে হস্তান্তর করতো। পরবর্তীতে তারা IMEI পরিবর্তন করে ঢাকা সাভার ও আশপাশের এলাকায় গোপনে বিক্রি করতো।উক্ত গ্রেফকারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় নিয়মিত মামলা রুজু পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের টানা অভিযানে ৮ জন গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের টানা অভিযানে ৮ জন গ্রেপ্তার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে টাঙ্গাইল জেলায় অপরাধ দমনে জেলা পুলিশের নিয়মিত ও বিশেষ অভিযানে প্রিভেন্টিভ, পরোয়ানাভুক্ত এবং নিয়মিত মামলার মোট ৮ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল সূত্র জানায়, মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারে জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের মাঠে থেকে কঠোর অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন সম্মানিত পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল। তাঁর নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত অভিযানে প্রিভেন্টিভ, নিয়মিত মামলা, অন্যান্য উদ্ধারজনিত মামলা ও পরোয়ানামূলে এসব গ্রেপ্তার সম্পন্ন হয়। জেলা পুলিশ জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধ নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের টানা অভিযানে ১৮ জন গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের টানা অভিযানে ১৮ জন গ্রেপ্তার ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে টাঙ্গাইলের প্রিভেন্টিভ পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলার আসামিরা আটক অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ, পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মোট ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।জেলা পুলিশ সূত্র জানায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং মামলা ও পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার জোরদার করতে জেলার সকল থানা ও ইউনিটের অফিসার ইনচার্জসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের মাঠ পর্যায়ে থেকে কঠোর অভিযান পরিচালনার নির্দেশ প্রদান করেন সম্মানিত পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল।এরই ধারাবাহিকতায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে প্রিভেন্টিভ মামলার আসামি ছাড়াও নিয়মিত মামলা ও পরোয়ানাভুক্ত একাধিক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয় টাঙ্গাইলে অপরাধ দমন মাদক নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। যে কোনো ধরনের অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য পেলে দ্রুত পুলিশকে অবহিত করার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ 0
কালিহাতিতে আচরণবিধিমালা প্রতিপালনে যৌথ পেট্রোলিং জরিমানা ১১ হাজার টাকা

কালিহাতিতে আচরণবিধিমালা প্রতিপালনে যৌথ পেট্রোলিং জরিমানা ১১ হাজার টাকা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আচরণ বিধিমালা প্রতিপালন নিশ্চিত করতে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতি) আসনের নির্বাচনী এলাকাজুড়ে যৌথ পেট্রোলিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।অদ্য শনিবার (৩১ জানুয়ারি ২০২৬) তারিখে আচরণ বিধিমালা প্রতিপালনে নিয়োজিত বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশ ফোর্স নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ যৌথ পেট্রোলিং পরিচালনা করে। এসময় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫ এর বিধি ৯ (ক) লঙ্ঘনের দায়ে বিধি ২৭ (ক) অনুযায়ী দুইজন প্রার্থীর সমর্থকের বিরুদ্ধে ২টি পৃথক মামলায় মোট ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান ও তাৎক্ষণিক আদায় করা হয়।এছাড়াও সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর অধীনে ১টি মামলায় ১ জনকে ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান ও আদায় করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন আচরণ বিধিমালা প্রতিপালনে নিয়োজিত বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কালিহাতি টাঙ্গাইল।মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল সম্মানিত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের নির্বাচন কমিশনের আচরণ বিধিমালা কঠোরভাবে মেনে প্রচারণা চালানোর জন্য সতর্ক করা হয়।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ 0
মুন্সীগঞ্জে পুলিশের টানা অভিযানে ৪৮ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১৯

মুন্সীগঞ্জে পুলিশের টানা অভিযানে ৪৮ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১৯ মাদক পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান মুন্সীগঞ্জ ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ইং তারিখে মুন্সীগঞ্জ জেলায় অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে গত ৪৮ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ মাদক পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় মোট ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায় সম্মানিত পুলিশ সুপার, মুন্সীগঞ্জ মহোদয়ের সরাসরি নির্দেশনায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের সমন্বয়ে মাঠপর্যায়ে কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হয়। এরই অংশ হিসেবে জেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলার আসামিদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায় গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে প্রিভেন্টিভ মামলার আসামি মাদক ব্যবসায়ী পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং নিয়মিত মামলার পলাতক আসামিরা। অভিযানে উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য আইনানুগ প্রক্রিয়ায় জব্দ করা হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা পুলিশ আরও জানায়, মুন্সীগঞ্জকে অপরাধ ও মাদকমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলমান থাকবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ যে কোনো ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে।এদিকে জেলা পুলিশের এই অভিযানে সাধারণ জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। সচেতন মহল পুলিশের এমন তৎপরতায় সন্তোষ প্রকাশ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ৩০, ২০২৬ 0
ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সাভারে ৮ ডাকাত গ্রেফতার, উদ্ধার দেশীয় অস্ত্র

ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সাভারে ৮ ডাকাত গ্রেফতার, উদ্ধার দেশীয় অস্ত্র সাভার (ঢাকা),৩০ জানুয়ারি ২০২৬ইং তারিখে ঢাকা জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চলমান বিশেষ অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৮ জন ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। ঢাকা জেলা পুলিশের অভিভাবক ও পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মিজানুর রহমান মহোদয়ের নির্দেশনায় সাভার মডেল থানার একটি চৌকস পুলিশ টিম শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ভোরে এই সফল অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোর আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে সাভার মডেল থানাধীন বিরুলিয়া ইউনিয়নের কালিয়াকৈর সাকিনস্থ গোল্ডস্টার গার্মেন্টস সংলগ্ন একটি বাঁশঝাড়ে ১৫ থেকে ১৬ জনের একটি ডাকাত দল ডাকাতির উদ্দেশ্যে সমবেত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে ঘটনাস্থল থেকে ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়। বাকিরা অন্ধকারের সুযোগে পালিয়ে যায়। গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন— মোঃ সানি মিয়া (৩৫), মোঃ রাসেল মিয়া (৩২), মোঃ রিপন মিয়া (৩৩), মোঃ শাহিন মিয়া (৩১), মোঃ মাসুদ রানা (৩১), মোঃ সোহাবান মিয়া (২৩), মোঃ নুর নবী (২৭) ও মোঃ ইমন মিয়া (২৫)। পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ২টি লোহার তৈরি দা, ১টি লোহার তৈরি ছুরি, ১টি স্টিলের তৈরি চাইনিজ কুড়াল এবং ৩টি স্টিলের তৈরি সুইচ গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে সাভার মডেল থানার বিভিন্ন এলাকা ও আশপাশের মহাসড়কে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় সাভার মডেল থানায় ডাকাতির প্রস্তুতি আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। পলাতক অন্যান্য ডাকাতদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে থানা পুলিশ।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ৩০, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে পুলিশের টানা অভিযানে ২০ জন গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলে পুলিশের টানা অভিযানে ২০ জন গ্রেপ্তার, উদ্ধার ৫ গ্রাম হেরোইন ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ জেলায় জোরদার অভিযান পরিচালনা করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানা ও ইউনিটের যৌথ অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ নিয়মিত মামলা ও পরোয়ানাভুক্ত মামলায় মোট ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্র জানায় সম্মানিত পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল মহোদয়ের নির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের মাঠে থেকে কঠোর অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে অভিযান চালানো হয়।অভিযানকালে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে ৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয় এবং এ ঘটনায় একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া প্রিভেন্টিভ, নিয়মিত মামলা ও পরোয়ানামূলে অন্যান্য আসামিদেরও গ্রেপ্তার করা হয়। জেলা পুলিশ জানায় অপরাধী ও অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। সাধারণ জনগণের সহযোগিতায় টাঙ্গাইল জেলাকে অপরাধমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ৩০, ২০২৬ 0
সাভারে ইটভাটার শ্রমিক হত্যাকাণ্ড : প্রধান আসামি শামীম গ্রেফতার

সাভারে ইটভাটার শ্রমিক হত্যাকাণ্ড : প্রধান আসামি শামীম গ্রেফতার ঢাকা জেলার সাভার থানাধীন একটি ইটভাটায় বেলচা দিয়ে গুরুতর আঘাত করে এক শ্রমিককে হত্যার ঘটনায় মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।গ্রেফতারকৃত আসামির নাম মোঃ শামীম (২২),বাড়ি টাঙ্গাইল জেলায়।র‍্যাব সূত্রে জানা যায়,নিহত মোঃ শফিক ও অভিযুক্ত শামীমসহ অন্যান্য আসামিরা সাভার থানার মেসার্স রশিদ ব্রিকস নামক ইটভাটায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। কাজ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গত ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ রাত আনুমানিক ৪টার দিকে শফিকের সঙ্গে শামীমের তর্কবিতর্কের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে শামীম ও তার সহযোগীরা বেলচা দিয়ে শফিকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে।ঘটনার সময় আহত শফিক অচেতন হয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেন অন্যান্য শ্রমিকরা। তবে ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়। শ্রমিকরা অন্যান্য অভিযুক্তদের আটক করতে সক্ষম হলেও প্রধান আসামি শামীম কৌশলে পালিয়ে যায়।এ ঘটনায় নিহতের ভাই নিজাম উদ্দিন (৫৩) বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি নং-৭০, তারিখ ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ধারা ৩০২/৩৪ দণ্ডবিধি ১৮৬০।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পলাতক প্রধান আসামিকে গ্রেফতারে তৎপর হয় র‍্যাব-১৪,সিপিসি-৩,টাঙ্গাইল ক্যাম্প। এরই ধারাবাহিকতায় র‍্যাব-১২ সদর কোম্পানি, সিরাজগঞ্জ ক্যাম্পের সহায়তায় ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানার পাইকপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শামীমকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে অটোচালক মইজুদ্দিন হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

টাঙ্গাইলে অটোচালক মইজুদ্দিন হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার টাঙ্গাইল সদর থানায় দায়েরকৃত চাঞ্চল্যকর অটোচালক মইজুদ্দিন (৪৬) হত্যা মামলার প্রধান আসামি মোঃ রবিউল (২৫)-কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। রোববার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকার খিলগাঁও থানাধীন পশ্চিম নন্দীপাড়া এলাকা থেকে যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।র‌্যাব-১৪ এর সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্প এবংর‌্যাব-০৩,সিপিসি-১,শাহজাহানপুর (ঢাকা) ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে।র‌্যাব সূত্রে জানা যায় নিহত মইজুদ্দিন টাঙ্গাইল সদর থানার কচুয়াডাঙ্গা এলাকার একজন অটোচালক ছিলেন। গত ১৫ এপ্রিল ২০২৫ তারিখ রাত আনুমানিক ৮টা ২০ মিনিটে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থান সংলগ্ন জামিয়া ইসলামিয়া দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসার পশ্চিম গেটের সামনে এয়ারপোর্টগামী সড়কে যাত্রী তোলাকে কেন্দ্র করে অভিযুক্ত রবিউলের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে রবিউলসহ অন্যান্য অভিযুক্তরা মইজুদ্দিনকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৬ এপ্রিল ২০২৫ তারিখ দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৮ মিনিটে মইজুদ্দিন মারা যান।এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে রুজু হয় (মামলা নং-২৩(০৪)২৫ তারিখ-১৬ এপ্রিল ২০২৫, ধারা-৩০২/৩৪ দণ্ডবিধি)।মামলা দায়েরের পর আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় দীর্ঘ অনুসন্ধান ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় রবিউলের অবস্থান নিশ্চিত করে তাকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।র‌্যাব জানিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ 0
বাসাইলে নৃশংস হত্যাকাণ্ড নিজ ঘরেই শ্বাসরোধে নিহত বৃদ্ধ দম্পতি

বাসাইলে নৃশংস হত্যাকাণ্ড নিজ ঘরেই শ্বাসরোধে নিহত বৃদ্ধ দম্পতি। দিনমজুর শ্রমিকদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ লুট স্বর্ণ ও নগদ অর্থ। ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ইং তারিখেটাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় ঘটে গেছে এক লোমহর্ষক হৃদয়বিদারক ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড। রাতের আঁধারে নিজ বসতঘরেই শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে এক অসহায় বৃদ্ধ দম্পতিকে। হত্যার পর ঘর থেকে লুট করা হয়েছে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার।এই ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া আতঙ্ক এবং তীব্র ক্ষোভ।নিহতরা হলেন বাসাইল উপজেলার গোসাখালী গ্রামের বাসিন্দা ঠান্ডু মিয়া (৭৫) ও তার স্ত্রী রিজিয়া বেগম (৭০)। বুধবার সকালে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তপুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায় জমিতে কাজ করানোর জন্য করটিয়া এলাকা থেকে উত্তরাঞ্চলের কয়েকজন দিনমজুর শ্রমিককে নিজ বাড়িতে আশ্রয় দিয়েছিলেন ঠান্ডু মিয়া। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, সেই শ্রমিকরাই গভীর রাতে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে পালিয়ে গেছে।বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির জানান ঘটনার রাতে শ্রমিকরা ওই বাড়িতেই অবস্থান করছিল। একপর্যায়ে ঠান্ডু মিয়া পেটে ব্যথার কথা জানালে তারা নিজেদের সঙ্গে থাকা ওষুধ খেতে দেয়। সকালে দম্পতি ঘুম থেকে না ওঠায় প্রতিবেশীরা সন্দেহ করেন। পরে ঘরে ঢুকে দেখা যায় দু’জনই বিছানায় নিথর পড়ে আছেন এবং ঘরের আসবাবপত্র এলোমেলো। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। নাতির চোখে রাতের বিভীষিকা নিহত দম্পতির নাতি জানান ঘটনার রাতে তিনি বাড়ির বাইরে অবস্থান করছিলেন।তিনি বলেন,রাতে দেখি শ্রমিকরা বারবার ঘর থেকে বের হয়ে আবার ঢুকছে। সন্দেহ হলে জিজ্ঞেস করি। তারা বলে, দাদার পেটে ব্যথা। আমি বিশ্বাস করে ঘুমিয়ে পড়ি। সকালে উঠে দেখি বাড়িতে মানুষের ভিড়। ঘরে ঢুকে দেখি দাদু-দাদির গলায় দাগ—উড়না দিয়ে পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি আরও বলেনওরা ঠান্ডা মাথায় আমার দাদা-দাদিকে হত্যা করেছে। আমরা এই হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। লুটের অভিযোগ এলাকায় আতঙ্ক স্থানীয়দের অভিযোগ হত্যার পর ঘর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত শ্রমিকরা। যে ঘর ছিল নিরাপত্তা ও বিশ্বাসের প্রতীক সেই ঘরেই এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডে এলাকাবাসী বাকরুদ্ধ।স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহল বলছেন দিনমজুর শ্রমিকের হাতে মালিক দম্পতির এই নির্মম হত্যাকাণ্ড শুধু একটি অপরাধ নয়—এটি সমাজে মানবিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয়ের ভয়াবহ দৃষ্টান্ত। পুলিশি অভিযান অব্যাহত ।পুলিশ জানায় ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ২৭, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের টানা অভিযানে মাদকসহ ১৯ জন গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের টানা অভিযানে মাদকসহ ১৯ জন গ্রেপ্তারআইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে কঠোর নির্দেশনা ২৪ ঘণ্টায় সফল অভিযান। ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে টাঙ্গাইল জেলায় অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের ধারাবাহিক ও কঠোর অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ মাদক ব্যবসায়ী পরোয়ানাভুক্ত এবং নিয়মিত মামলার আসামিসহ মোট ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্র জানায় আসন্ন পরিস্থিতি বিবেচনায় আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে সম্মানিত পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল মহোদয় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের মাঠে থেকে কঠোরভাবে অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন। এরই অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টা জুড়ে টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় একযোগে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে মাদকদ্রব্যবিরোধী কার্যক্রমে ১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয় এবং এ ঘটনায় একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি প্রিভেন্টিভ নিয়মিত মামলা ও আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায় সম্মানিত পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল মহোদয়ের নির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের সমন্বয়ে মাঠপর্যায়ে কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় এসব অভিযান পরিচালিত হয়।মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশ ১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে এবং এ ঘটনায় ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়াও প্রিভেন্টিভ নিয়মিত মামলা ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয় অপরাধী ও অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনগণের জানমাল রক্ষা মাদকের বিস্তার রোধ এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ২৭, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের টানা অভিযানে মাদকসহ ১৯ জন গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের টানা অভিযানে মাদকসহ ১৯ জন গ্রেপ্তারআইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে কঠোর নির্দেশনা ২৪ ঘণ্টায় সফল অভিযান। ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে টাঙ্গাইল জেলায় অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের ধারাবাহিক ও কঠোর অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ মাদক ব্যবসায়ী পরোয়ানাভুক্ত এবং নিয়মিত মামলার আসামিসহ মোট ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্র জানায় আসন্ন পরিস্থিতি বিবেচনায় আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে সম্মানিত পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল মহোদয় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের মাঠে থেকে কঠোরভাবে অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন। এরই অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টা জুড়ে টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় একযোগে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে মাদকদ্রব্যবিরোধী কার্যক্রমে ১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয় এবং এ ঘটনায় একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি প্রিভেন্টিভ নিয়মিত মামলা ও আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায় সম্মানিত পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল মহোদয়ের নির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের সমন্বয়ে মাঠপর্যায়ে কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় এসব অভিযান পরিচালিত হয়।মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশ ১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে এবং এ ঘটনায় ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়াও প্রিভেন্টিভ নিয়মিত মামলা ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয় অপরাধী ও অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনগণের জানমাল রক্ষা মাদকের বিস্তার রোধ এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ২৭, ২০২৬ 0
সরিষাবাড়ীতে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার, দুই চোর আটক

জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার নির্বাচন অফিসের স্টাফ ফখরুল ইসলামের চুরি হয়ে যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে সরিষাবাড়ী থানা পুলিশ। এ সময় মোটরসাইকেলসহ দুইজন চোরকে আটক করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাচন অফিসের স্টাফ ফখরুল ইসলামের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি চুরি হয়। ঘটনার পরপরই বিষয়টি থানায় জানানো হলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সরিষাবাড়ী থানা পুলিশ চুরি যাওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয় এবং এর সঙ্গে জড়িত দুইজনকে আটক করে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ায় সরিষাবাড়ী থানা পুলিশের প্রশংসা করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্বজনরা।

মুক্তধ্বনি ডেক্স জানুয়ারী ২৭, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে অপরাধ দমনে জেলা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮

টাঙ্গাইলে অপরাধ দমনে জেলা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮ টাঙ্গাইল জেলায় অপরাধ দমন মাদকের বিস্তার রোধ এবং সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের নিয়মিত ও সমন্বিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ, নিয়মিত মামলা ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্মানিত পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল মহোদয়ের সুস্পষ্ট নির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের সমন্বয়ে একযোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়। দিন ও রাতব্যাপী বিশেষ তল্লাশি, চেকপোস্ট এবং টহল কার্যক্রমের মাধ্যমে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। অভিযানের অংশ হিসেবে মাদকবিরোধী বিশেষ তল্লাশিকালে পুলিশ ০৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। এ সময় মাদক ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত ২ জনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়েরসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ছাড়া অভিযানে বিভিন্ন থানায় দায়েরকৃত নিয়মিত মামলা, প্রিভেন্টিভ মামলা এবং আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের এই তৎপরতায় স্থানীয় জনগণের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং অপরাধীদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। জেলা পুলিশ আরও জানায়, সাধারণ জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং টাঙ্গাইল জেলাকে অপরাধমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে। মাদক,চুরি,ছিনতাই ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে বলেও উল্লেখ করা হয়। স্থানীয় সচেতন মহল পুলিশের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ২৬, ২০২৬ 0
বিশেষ অভিযানে ঢাকা জেলা ডিবি (দক্ষিণ)-এর হাতে ৫৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

বিশেষ অভিযানে ঢাকা জেলা ডিবি (দক্ষিণ)-এর হাতে ৫৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ঢাকা জেলা পুলিশের মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৫৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুইজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।ঢাকা জেলা পুলিশের অভিভাবক ও সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মিজানুর রহমান মহোদয়-এর সার্বিক নির্দেশনায় এবং জনাব জাহিদুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি), ঢাকা জেলা-এর তত্ত্বাবধানে জনাব সফিকুল ইসলাম সুমন, অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা (দক্ষিণ), ঢাকা জেলা-এর নেতৃত্বে জেলা ডিবি (দক্ষিণ)-এর একটি চৌকস টিম এ অভিযান পরিচালনা করে। গত ২২ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিঃ তারিখ রাত ২২.০০ ঘটিকা হতে ২২.৩০ ঘটিকা পর্যন্ত দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন চরকুতুব এলাকা ও এর আশপাশে অভিযান পরিচালনাকালে এসআই (নিরস্ত্র) জনাব এস.এম. এনামুল হক সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতরা হলো— ১। শেখ মোঃ মুরাদ হোসেন (৩৯), পিতা- শেখ আওলাদ হোসেন, মাতা- মমতাজ বেগম, ঠিকানা- বাহার বেপারী র বাড়ির ভাড়াটিয়া, জলিল মহাজন রোড, পূর্ব আগানগর, থানা- দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, জেলা- ঢাকা। তার হেফাজত হতে ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। ২। মোঃ সাজ্জাদুল আমিন সুমন (৩২), পিতা- রুহুল আমিন, মাতা- শামীমা বেগম, ঠিকানা- সাজেদা ভিলা, ইকুরিয়া বেপারী পাড়া, থানা- দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, জেলা- ঢাকা। তার নিকট হতে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার মামলা নং-৪৩, তারিখ-২৩/০১/২০২৬ খ্রিঃ, ধারা- ৩৬(১) সারণির ১০(ক), মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর অধীনে নিয়মিত মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ঢাকা জেলা পুলিশ জানায়, মাদক নির্মূলে জেলা গোয়েন্দা শাখার এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ২৩, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের অভিযানে ৩৮ জন গ্রেপ্তারমাদক উদ্ধার

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের অভিযানে ৩৮ জন গ্রেপ্তারমাদক উদ্ধারসহ পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে টাঙ্গাইলে অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের চলমান অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ মাদক সংক্রান্ত, পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলার আসামিসহ মোট ৩৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্র জানায় সম্মানিত পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল মহোদয়ের নির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের সমন্বয়ে নিয়মিতভাবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের অংশ হিসেবে জেলার বিভিন্ন স্থানে দিন ও রাতব্যাপী তল্লাশি ও অভিযান চালানো হয়। মাদকদ্রব্যবিরোধী অভিযানে পুলিশ ৪৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। এ সময় একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য জব্দ করে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পুলিশ জানায় গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে প্রিভেন্টিভ মামলার আসামি মাদক ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন পলাতক পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং বিভিন্ন নিয়মিত মামলার অভিযুক্তরা। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং পর্যায়ক্রমে আদালতে সোপর্দ করা হবে। টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ জানিয়েছে, জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত টহল চেকপোস্ট ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। অপরাধ, সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ২৩, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ ৩২ জন গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ ৩২ জন গ্রেপ্তার ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে সারাদেশের ন্যায় টাঙ্গাইল জেলাকে অপরাধ ও মাদকমুক্ত রাখতে জেলা পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত টানা অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ নিয়মিত মামলা ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ।পুলিশ সূত্র জানায় অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা জোরদারে জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের সরাসরি মাঠে থেকে অভিযান পরিচালনার জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন সম্মানিত পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল মহোদয়। তার দিকনির্দেশনায় জেলার সর্বত্র একযোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়।বিশেষ করে মাদকবিরোধী অভিযানে বড় ধরনের সাফল্য পাওয়া গেছে। অভিযানে ২২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৩০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক কারবারের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ৭ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।এছাড়া প্রিভেন্টিভ ও নিয়মিত মামলায় অভিযুক্ত এবং বিভিন্ন আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধেও অভিযান জোরদার করা হয়। অভিযানের মাধ্যমে দীর্ঘদিন পলাতক থাকা একাধিক আসামিকেও আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে। জেলা পুলিশ জানায় অপরাধী যেই হোক—কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। মাদক সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ২২, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের জোরালো অভিযানে ২৮ জন গ্রেপ্তার ৩ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের জোরালো অভিযানে ২৮ জন গ্রেপ্তার ৩ হাজার ইয়াবা উদ্ধার ২১ জানুয়ারী ২০২৬ ইং,টাঙ্গাইল জেলায় মাদক সন্ত্রাস ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে জেলা পুলিশের চলমান বিশেষ ও নিয়মিত অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত একাধিক অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ নিয়মিত মামলা ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ।জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সম্মানিত পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল মহোদয় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের মাঠে থেকে কঠোর ও সমন্বিত অভিযান পরিচালনার নির্দেশ প্রদান করেন। তারই আলোকে জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট একযোগে অপরাধবিরোধী অভিযান জোরদার করে। অভিযান চলাকালে প্রিভেন্টিভ আইনে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি নিয়মিত মামলার আসামি আদালতের পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি এবং মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হয়। এর অংশ হিসেবে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৩,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এবং এ ঘটনায় ১ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায় উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে আদালতের মাধ্যমে তাদের বিচার নিশ্চিত করা হবে।টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ আরও জানায় মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জেলার প্রতিটি থানা এলাকায় অপরাধী ও অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।কোনো অপরাধ বা অপরাধীর বিষয়ে তথ্য জানা থাকলে নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ অথবা জেলা পুলিশের নির্ধারিত মাধ্যমে তথ্য প্রদান করার জন্য।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ২১, ২০২৬ 0
বাসাইলে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ ও অর্থ দাবি মামলার আসামি গ্রেফতার

বাসাইলে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ ও অর্থ দাবি মামলার আসামি গ্রেফতার সিপিসি-৩, র‌্যাব-১৪ টাঙ্গাইলের অভিযানে ধরা পড়ল মোঃ রাসেল মিয়াটাঙ্গাইল জেলার বাসাইল থানায় দায়েরকৃত আপত্তিকর ভিডিও ধারণ ও অর্থ দাবির একটি মামলার অন্যতম আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। সিপিসি-৩, র‌্যাব-১৪, টাঙ্গাইলের একটি আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত মোঃ রাসেল মিয়া (২১) কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।র‌্যাব সূত্রে জানা যায় মামলার এজাহার অনুযায়ী গত ৯ আগস্ট ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ আনুমানিক দুপুর ২টার দিকে ধৃত আসামিসহ অন্যান্য এজাহারনামীয় আসামিরা কৌশলে এক ভিকটিমের (৩০) গোসল করার সময় আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে। বিষয়টি টের পেয়ে ভিকটিম দ্রুত ভিডিও মুছে ফেলার অনুরোধ করেন এবং তার অভিভাবকদের বিষয়টি অবহিত করেন। সে সময় অভিযুক্তরা ভিডিও মুছে ফেলার আশ্বাস দিয়ে ভুল স্বীকার করলেও তাদের পরিবারের সদস্যরা বিষয়টিকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে ভিকটিম ও তার পরিবারকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয়।পরবর্তীতে ধৃত আসামিসহ অন্যান্য আসামিরা ভিকটিমের ব্যবহৃত ইমু নাম্বারে যোগাযোগ করে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ১ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। দাবিকৃত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা ভিকটিমের আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয় যা ভিকটিমের দৃষ্টিগোচর হয়।এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে বিজ্ঞ আদালতে একটি পিটিশন মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে ২৩ অক্টোবর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দে টাঙ্গাইল জেলার বাসাইল থানায় মামলা নং-১৫ রুজু হয়। মামলায় ২০১২ সালের পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন এর ৮(১), ৮(২), ৮(৩), ৮(৫)(খ) ও ৮(৭) ধারায় অভিযোগ আনা হয়।মামলা রুজুর পর থেকেই সিপিসি-৩, র‌্যাব-১৪ টাঙ্গাইল ছায়াতদন্তের মাধ্যমে পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে তৎপরতা শুরু করে। এরধারাবাহিকতায় ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত সাড়ে ৭টার দিকে টাঙ্গাইল সদর থানাধীন নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মোঃ রাসেল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে টাঙ্গাইল জেলার বাসাইল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।র‌্যাব জানায় সাইবার অপরাধ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার রোধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।স্বাক্ষরিতসিনিয়র সহকারী পরিচালক মিডিয়া অফিসার অধিনায়কের পক্ষে

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১৯, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার ৩৩

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার ৩৩ টাঙ্গাইল জেলায় অপরাধ দমন মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের চলমান কঠোর অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ মাদক ব্যবসায়ী পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলার আসামিসহ সর্বমোট ৩৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায় সম্মানিত পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল মহোদয়ের সুস্পষ্ট নির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের সমন্বয়ে মাঠ পর্যায়ে জোরদার অভিযান পরিচালনা করা হয়। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে থানা পুলিশ ডিবি ও অন্যান্য ইউনিট যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে বিভিন্ন থানা এলাকায় বিশেষ তল্লাশি ও চেকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এতে প্রিভেন্টিভ মামলায় নিয়মিত মামলা মাদক সংক্রান্ত মামলা এবং আদালতের জারিকৃত পরোয়ানামূলে মোট ৩৩ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে একটি পৃথক অভিযানে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ সময় ১ জন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় জব্দ করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।গ্রেপ্তারকৃত সকল আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তাদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ জানায়, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ মাদক নির্মূল সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে জেলা পুলিশের এ ধরনের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে পুলিশ কাজ করছে এবং জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে।জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সাধারণ জনগণকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। কোনো ধরনের অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য থাকলে নিকটস্থ থানা অথবা পুলিশের নির্ধারিত হটলাইনে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ 0
গোপালপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে চাঁদাবাজির অভিযোগে হামলা, গুরুতর আহত ৩

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ২ নম্বর হাদিরা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের করিয়াটা গ্রামে জমি সংক্রান্ত চাঁদা আদায়ের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২ নম্বর হাদিরা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সুমন (৩৫), পিতা সুজাত আলী এবং তার খালাতো ভাই সোহেল (৩০), পিতা তুতা মিয়া, মিলে গোপালপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হেদায়েতুল্লাহ বাদশার বড় মেয়ের জামাতা ও ২ নম্বর হাদিরা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মরহুম খালেক ভুঁইয়ার ভাগিনা দুদু মিয়া (৬০), তার ভাই মোঃ হাফিজ (৫০) এবং তাদের ভাগিনা, মোঃ সেলিম রেজা (২৮)-এর ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। হামলার পর এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে মোঃ হাফিজের মাথায় একাধিক আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে ও মোঃ সেলিম রেজাকে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। পরে মোঃ হাফিজের অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সোহেল দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তার মামা রিপনের সঙ্গে মিলে এলাকায় চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। তারা গোপালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত সুরুজের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিল বলেও দাবি করেছেন এলাকাবাসী। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে স্থানীয়রা অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি প্রশ্ন উঠেছে, রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ে কীভাবে এসব অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে এলাকাবাসী প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

মুক্তধ্বনি ডেক্স জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ 0
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

শীর্ষ সপ্তাহ

রাজনীতি

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে লতিফ সিদ্দিকী–হালিম ইঞ্জিনিয়ার যোগসাজশে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন? বিএনপির ভেতরে তীব্র অস্বস্তি

জানুয়ারী ২৯, ২০২৬ 0

ভোট জরিপ

নির্বাচনের দিন গণভোট আপনি সমর্থন করেন ?