নির্বাচনি মাঠে সংঘাত: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে জামায়াতের পথসভায় হামলার অভিযোগ
রাজনীতি

নির্বাচনি মাঠে সংঘাত: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে জামায়াতের পথসভায় হামলার অভিযোগ

reporter-icon
নাদিম তালুকদার: স্টাফ রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫ | 0
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে জামায়াতের পথসভায় হামলার অভিযোগ
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে জামায়াতের পথসভায় হামলার অভিযোগ
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মো. হুমায়ুন কবিরের নির্বাচনি পথসভায় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অন্তত একজন জামায়াত কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে দলটি। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার ফলদা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকায় কিছু সময় উত্তেজনা বিরাজ করে। জামায়াত নেতাদের অভিযোগ, মাওলানা হুমায়ুন কবিরকে সঙ্গে নিয়ে তারা শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনি পথসভা ও প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। সভা চলাকালে হঠাৎ স্থানীয় বিএনপির কিছু নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে উসকানিমূলক স্লোগান দিতে থাকেন। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জামায়াত নেতাকর্মীরা সভা শেষ করে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাদের দাবি, জামায়াতের নেতাকর্মীরা অন্য পথ দিয়ে সরে যাওয়ার সময় একপাশে রাস্তা অবরোধ করে রাখা হয় এবং সভাস্থলে থাকা চেয়ার, টেবিল ও মাইক ভাঙচুর করা হয়। এ সময় ধাক্কাধাক্কিতে জামায়াতের এক কর্মী আহত হন। ভূঞাপুর উপজেলা জামায়াতের আমির আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “আমরা সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছিলাম। কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই বিএনপির নেতাকর্মীরা আমাদের সভার আসবাবপত্র ভাঙচুর করেছে। এটি পরিকল্পিত হামলা। এ ঘটনায় আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আমরা নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।” তিনি আরও বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে এ ধরনের হামলা গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিমুজ্জামান তালুকদার সেলু। তিনি বলেন, “এটি কোনো পরিকল্পিত হামলা নয়। একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা মাত্র, যা ভুল বোঝাবুঝি থেকে হয়েছে। একজন ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে কিছুটা উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। আমরা কাউকে প্রতিহত করিনি, বরং পরিস্থিতি শান্ত রাখতে সহায়তা করেছি। ভবিষ্যতেও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে আমরা প্রস্তুত।” এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাব্বির রহমান বলেন, “ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।” এ ঘটনার পর স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সাধারণ মানুষ শান্তিপূর্ণ নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করছেন।
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

রাজনীতি

আরও পড়ুন
টাঙ্গাইল–৫ আসনে উন্নয়নের ২৩ দফা রূপরেখা তুলে ধরলেনবিএনপির প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
টাঙ্গাইল–৫ আসনে উন্নয়নের ২৩ দফা রূপরেখা তুলে ধরলেন বিএনপির প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল–৫ (সদর) আসনে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা। আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর পর থেকেই প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় সভা করছেন। এই আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে তিনি বিএনপির রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার পাশাপাশি টাঙ্গাইলের উন্নয়নে ২৩ দফা উন্নয়ন পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। তাঁর লক্ষ্য টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নকে একটি নিরাপদ, মাদকমুক্ত ও চাঁদাবাজমুক্ত ‘মডেল টাঙ্গাইল’ হিসেবে গড়ে তোলা। ২৩ দফার মধ্যে রয়েছে যমুনা নদীতে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ, মাহমুদনগরে সেতু নির্মাণ, টাঙ্গাইলকে শিক্ষার নগরীতে রূপান্তর, স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন এবং শহর-গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন। এছাড়া যুবকদের কর্মসংস্থান, আইটি খাতে বিনিয়োগ, নারী ক্ষমতায়ন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সহায়তা, কৃষক ও দরিদ্র পরিবারের জন্য কার্ড চালু, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা এবং নাগরিক সেবা সহজ করতে ‘ওয়ান কল সার্ভিস’ চালুর অঙ্গীকার করেন তিনি। চাঁদাবাজমুক্ত টাঙ্গাইল গড়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী উন্নত ও আধুনিক জনপদ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0

নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে ৫ ফেব্রুয়ারি জামায়াত আমীর ডা. শফিকুল রহমানের নির্বাচনী জনসভা

জামায়াতে আমীর ৫ ই ফেব্রুয়ারী নির্বাচনী জনসভায় আগমনে সাংবাদিক সম্মেলন

ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিতে আজ দেশে আসছেন পর্তুগাল বিএনপির আহবায়ক আবু ইউসুফ তালুকদার ও সদস্য সচিব সায়েফ আহমেদ সুইট।

জামায়াতের মাল্টিমিডিয়া বাস উদ্বোধন

ঢাকা: ঢাকা-১৫ আসনের জামায়াতের প্রার্থী ডাক্তার শফিকুর রহমানের নির্বাচনী কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করা হয়েছে। জামায়াতের আমির সম্প্রতি ঢাকা-১৫-এর প্রধান নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন করেন এবং একই সঙ্গে একটি ডিজিটাল মাল্টিমিডিয়া বাসের উদ্বোধন করেন। এই বাসটি ব্যবহার করে প্রার্থী তার নির্বাচনী এলাকা এবং অন্যান্য আসনে মাল্টিমিডিয়া ও অনলাইন কেন্দ্রিক প্রচারণা চালাবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত জামায়াত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশের মানুষ পরিবর্তন চায় এবং আগামী নির্বাচনে ভোটাররা পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দেবেন। রাব্বি সবুজ বলেন, “দেশের সম্পদ ও সম্মান যাদের হাতে নিরাপদ থাকবে, ১২ তারিখ তাদের হাতে চাবি উঠবে।” এছাড়াও, তিনি গতকালকের ধানেশপুরে সহিংসতার ঘটনাকে বিএনপির পরিকল্পিত ঘটনার মাধ্যমে ভোটারদের প্রতি আস্থা নষ্ট করার চেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেন এবং প্রশাসনের কাছে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

জানুয়ারী ২৯, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে লতিফ সিদ্দিকী–হালিম ইঞ্জিনিয়ার যোগসাজশে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন? বিএনপির ভেতরে তীব্র অস্বস্তি

জামালপুর-৪: আওনা ইউনিয়নে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণা ও আলোচনা সভা

ভুয়াপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিশাল রেলি ও নির্বাচনী প্রচারণা

টুকু নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে গণসংযোগ চালাচ্ছেন বিএনপির টুকু

টাঙ্গাইল–৫ আসনে গণসংযোগে ব্যস্ত সুলতান সালাউদ্দিন টুকু নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে গণসংযোগ চালাচ্ছেন বিএনপির টুকু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল–৫ (সদর) আসনে ব্যাপক গণসংযোগ ও পথসভায় ব্যস্ত সময় পার করছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের চর পলি খামারপাড়া ও কাকুয়া ২ নম্বর ওয়ার্ডে তার নির্বাচনী গণসংযোগ শুরু হয়। এদিন চর পলি খামারপাড়ায় একাধিক উঠান বৈঠক পথসভা এবং শাহরিয়ার হাসান মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নির্বাচনী সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।গণসংযোগে স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী ও শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। সরেজমিনে দেখা যায় গণসংযোগের অংশ হিসেবে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু কাকুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করছেন। এ সময় তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের খোঁজখবর নেন তাদের সুখ-দুঃখের কথা মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং এলাকার বিদ্যমান সমস্যা সংকট ও উন্নয়ন প্রত্যাশা সম্পর্কে অবগত হন।স্থানীয় বাসিন্দারা প্রার্থীকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তারা উন্নয়ন কর্মসংস্থান নাগরিক সেবা অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের প্রত্যাশা ও মতামত তুলে ধরেন। এ সময় সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার তুলে ধরার পাশাপাশি নিজের ঘোষিত ২৩ দফা উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা ভোটারদের সামনে উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নকে নিরাপদ মাদকমুক্ত চাঁদাবাজমুক্ত এবং একটি উন্নত মডেল টাঙ্গাইল হিসেবে গড়ে তোলাই তার মূল লক্ষ্য।তার ২৩ দফা উন্নয়ন অঙ্গীকারের মধ্যে রয়েছে- যমুনা নদীর বেড়িবাঁধ নির্মাণ মাহমুদনগরে সেতু নির্মাণ টাঙ্গাইলকে শিক্ষার নগরীতে রূপান্তর স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারী উন্নয়ন সবুজ পরিবেশ গঠন খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তা আইটি সেক্টরে গুরুত্ব ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন, সবার জন্য ইন্টারনেট সুবিধা ব্যবসা সহজীকরণ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সরকারি ভাতা প্রদান সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবংওয়ান কল সার্ভিস চালু করা। গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জানুয়ারী ২৪, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইলে প্রচারণায় মুখর স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী সৈয়দ খালেদ মোস্তফা

টাংগাইল-০২ (গোপালপুর–ভূঞাপুর) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে জামায়াতের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু

সোনামুই বাজারে বিএনপির গণসংযোগে জনসমাগম

0 মন্তব্য