পুলিশ লাইন্স পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মিজানুর রহমান
সারা দেশ

পুলিশ লাইন্স পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মিজানুর রহমান

reporter-icon
মো: সাজিদ পিয়াল: সিনিয়র রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি ) নিউজ
নভেম্বর ২৫, ২০২৫ | 0
পুলিশ লাইন্স পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মিজানুর রহমান
সাজিদ পিয়াল: পুলিশ লাইন্স পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের উদ্যোগে পুলিশ লাইন্স পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। সোমবার সকালে আয়োজিত এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মিজানুর রহমান। পোনা অবমুক্তকরণ শেষে পুলিশ সুপার বলেন, “মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও বৃদ্ধির এ উদ্যোগ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য টেকসই সম্পদ সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” তিনি আরও জানান, বাংলাদেশে মৎস্য খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে স্থানীয় পর্যায়ে এ ধরনের উদ্যোগ আরও সম্প্রসারিত করা প্রয়োজন। এসময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন ইউনিটের অফিসাররা উপস্থিত ছিলেন। পুকুরে অবমুক্ত এসব পোনা বড় হয়ে উঠলে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং পুলিশ সদস্যদের কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। পুকুরে এ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করেন জনাব মোঃ মিজানুর রহমান, পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল। এ সময় পুলিশ সুপার মহোদয় বলেন, মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ সহ অন্যান্য অফিসারগণ উপস্থিত ছিলেন। ইচ্ছা করলে আরও আকর্ষণীয় হেডলাইন বা অনলাইন নিউজ পোর্টালের স্টাইলে পুনরায় সাজিয়ে দিতে পারি।
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

সারা দেশ

আরও পড়ুন
তারেক খাঁনের উদ্যোগে মানবিক ঘর পেলেন সেই নাসির

মানবসেবা শুধু কর্তব্য নয়, মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও মানবিকতার গভীরতম প্রকাশ। টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য তারিকুল ইসলাম খাঁন তারেক দীর্ঘ ১২ বছর ধরে খোলা আকাশের নিচে বাঁশঝাড়ের  পাশে মানবেতর জীবনযাপন করা চর-চতিলা ফারাজিপাড়ার নাসির উদ্দিনের জন্য নির্মাণ করে দিয়েছেন একটি “মানবিক ঘর”, যা এলাকায় প্রশংসা কুড়িয়েছে। বুধবার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে দোচালা টিনের ঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে নাসির উদ্দিনের কাছে হস্তান্তর করেন তিনি। উপস্থিত ব্যক্তিরা বলেন, সমাজের সচেতন মানুষ এগিয়ে এলে অসহায়দের কষ্ট অনেকটাই লাঘব করা সম্ভব। এর আগে “তীব্র শীতেও খোলা আকাশের নিচে ঘুমায় নাসির” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান টিন ও আর্থিক সহায়তা দেন। পাশাপাশি প্রবাসী মো. শফিকুল ইসলাম চৌকি, মশারি, তোশক ও বালিশ উপহার দেন। তারিকুল ইসলাম খাঁন তারেক বলেন, আমার কোন কিছু চাওয়া পাওয়ার নেই, মানবিক দিক বিবেচনা করে আমি নাসির ভাইকে ঘর নির্মাণ করে দিয়েছি আল্লাহর সন্তুষ্টিরঅর্জনের জন্য। মসজিদ, মাদরাসাসহ বিভিন্ন মানবিক কাজে সহযোগিতার পাশাপাশি নিজ উদ্যোগে বিভিন্নস্থানে টিউবওয়েল স্থাপন করে দিয়েছি। স্থানীয়দের মতে, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ সমাজে মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে এবং অন্যদেরও এমন কাজে উৎসাহিত করবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। কিছুটা মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত দিনমজুর নাসির উদ্দিন নতুন ঘর পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0

পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার, টাঙ্গাইলে ৫৭তম টিআরসি ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত

নির্বাচনী প্রস্তুতি তদারকিতে কালিহাতি ও ভুঞাপুরে জেলা প্রশাসকের সরেজমিন পরিদর্শন

আসন্ন সংসদ নির্বাচন: গোপালপুরে ধানের শীষের পক্ষে বিএনপির বিশাল মিছিল

সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকার প্রত্যয়ে যাত্রা শুরু করল টাঙ্গাইল-জামালপুর জেলা প্রেস ক্লাব

‘সত্য প্রকাশে অবিচল’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সাংবাদিকদের নতুন সংগঠন “টাঙ্গাইল-জামালপুর জেলা প্রেস ক্লাব” আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে। টাঙ্গাইল ও জামালপুর জেলার প্রতিটি উপজেলা থেকে সত্যনিষ্ঠ, পেশাদার ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকদের সমন্বয়ে একটি সক্রিয় ও শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলাই এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য। সংগঠনটির উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানানো হয়, সমাজে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকতার দায়িত্বশীল ভূমিকা আরও জোরদার করা এবং পেশাগত মান উন্নয়নের মাধ্যমে গণমাধ্যমকে শক্তিশালী করা। দীর্ঘ ছয় মাসের ধারাবাহিক প্রস্তুতি ও সাংগঠনিক প্রচেষ্টার পর ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি, রোজ সোমবার সংগঠনের একটি পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। প্রধান উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট খন্দকার মশিউর রহমান সজিব-এর দিকনির্দেশনা ও পরামর্শক্রমে এবং উপস্থিত সকল সাংবাদিকের প্রত্যক্ষ ভোটে সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি নির্বাচিত হন বিশিষ্ট লেখক, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী জনাব রফিকুল ইসলাম।  একই প্রক্রিয়ায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন বিশিষ্ট সাংবাদিক জনাব এস এম আব্দুর রাজ্জাক। নবগঠিত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম-এর সঞ্চালনায় এবং বয়োজ্যেষ্ঠ মুরুব্বী জনাব কে এম তৈয়ব আলী হীরা-র সভাপতিত্বে টাঙ্গাইল-জামালপুর জেলা প্রেস ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সংগঠনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম, লক্ষ্য ও দিকনির্দেশনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষপর্বে নবগঠিত সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি, সাফল্য ও সাংবাদিক সমাজের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়ার মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ 0

কালিহাতীতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে যৌথ বাহিনীর টহল

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস–২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে কুইজ প্রতিযোগিতা

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মির্জাপুর উপজেলা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

জামালপুর জেলায় যোগদান করলেন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার এম. এ. ফয়সাল

বাস্তব প্রশিক্ষণ গ্রহণে জামালপুর জেলায় যোগদান করলেন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার এম. এ. ফয়সাল ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে বাস্তব প্রশিক্ষণ গ্রহণের লক্ষ্যে শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার জনাব এম. এ. ফয়সাল জামালপুর জেলায় যোগদান করেছেন। রবিবার (০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি.) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে জামালপুর জেলা পুলিশের সঙ্গে সংযুক্ত হন। বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদা, রাজশাহীতে এক বছর মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করার পর তাঁকে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা (টিআর) ইউনিটে বদলি করা হয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশ পুলিশের প্রবিধান-৭৯০ মোতাবেক ছয় মাস মেয়াদি বাস্তব প্রশিক্ষণ গ্রহণের উদ্দেশ্যে তাঁকে জামালপুর জেলায় সংযুক্ত করা হয়। জামালপুর জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মোঃ যাবের সাদেক মহোদয় শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার এম. এ. ফয়সালকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং তাঁর সফল প্রশিক্ষণকাল ও পেশাগত উৎকর্ষ কামনা করেন। শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার এম. এ. ফয়সাল ৪১তম বিসিএস এর মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। তাঁর নিজ জেলা নরসিংদী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ সোহেল মাহমুদ,পিপিএম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), জামালপুরসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ 0

ঘাটাইলে দুমড়েমুচড়ে যায় সিএনজি

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারকারী অফিসার ও ফোর্সদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

ইতিহাসের সেরা নির্বাচন উপহার দিতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ — মাননীয় ডিআইজি ঢাকা রেঞ্জ

0 মন্তব্য