ভূঞাপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ট্যাপেন্টাডলসহ আটক ১, কারাদণ্ড টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নিলয় ফার্মেসিতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৬ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মো. আব্দুল জলিল মিয়াকে আটক করা হয়েছে।ওঅভিযানকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযুক্তকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।পরে আদালতের আদেশে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ বিক্রয় রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসনের এ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে বলে জানানো হয়েছে
টাঙ্গাইলে টায়ার পুড়িয়ে তেল তৈরির অবৈধ কারখানার বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা ৫০ হাজার টাকা টাঙ্গাইলের শিবপুর এলাকায় অবৈধভাবে টায়ার ও তার পুড়িয়ে তেল উৎপাদনকারী একটি কারখানার বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর। বুধবার (১০ জুন) দুপুরে পরিচালিত এ অভিযানে পরিবেশ দূষণের দায়ে কারখানা মালিককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান এবং কারখানাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।জানা যায়, উপজেলার শিবপুর এলাকায় আনোয়ার এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে সরকারি কোনো অনুমোদন ছাড়াই টায়ার ও তার পুড়িয়ে তেল উৎপাদন করে আসছিল। এ কার্যক্রমের ফলে নির্গত কালো ধোঁয়া ও বিষাক্ত গ্যাস আশপাশের পরিবেশ এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছিল।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন, টাঙ্গাইল এবং পরিবেশ অধিদপ্তর, টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পংকজ শর্মার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী কারখানা মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং অবৈধ কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়।অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা জানান পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এমন অবৈধ শিল্পকারখানার বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। স্থানীয়রাও প্রশাসনের এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন।
২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রামু থেকে নিখোঁজ কলেজছাত্রী টাঙ্গাইলে উদ্ধার ২৪ ঘন্টার মধ্যে কক্সবাজারের রামু থেকে নিখোঁজ ভিকটিম টাঙ্গাইল থেকে উদ্ধার করেছে সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, টাঙ্গাইল ক্যাম্প।বাংলাদেশ আমার অহংকার, দেশ ও জনগণের সেবায় সর্বদা নিয়োজিত এলিট ফোর্স ‘র্যাব’। র্যাব-১৪ তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিভিন্ন ধরনের চাঞ্চল্যকর অপরাধ খুন, এবং অপহরণের মতো অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি মেনে অত্যন্ত সফলতার সাথে কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায়, র্যাব-১৪ এর একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে টাঙ্গাইল সদর থানার আশেকপুর বাইপাস এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে কক্সবাজার জেলার রামু থানায় নিখোঁজ ভিকটিমকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, গত ০৯ জুন ২০২৬খ্রি. সকাল অনুমান ০৯: ৪৫ ঘটিকায় বাদীর মেয়ে ভিকটিম কলেজ যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঘর হতে বের হয়ে যায়। ভিকটিম যথাসময় ঘরে না ফেরার ফলে পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে কোন সন্ধান না পেয়ে কক্সবাজার জেলার রামু থানা একটি সাধারণ ডাইরী করেন। যার সাধারণ ডাইরী নং-৪৩০, তারিখ-০৯ জুন ২০২৬খ্রি.।র্যাব-১৪ এর একটি চৌকস গোয়েন্দা দল ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ভিকটিমের অবস্থান শনাক্ত করে। অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর, সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, টাঙ্গাইল এর আভিযানিক দল ১০ জুন ২০২৬খ্রি. রাত অনুমান ০৩৩০ ঘটিকায় টাঙ্গাইল জেলার সদর থানার আশেকপুর বাইপাস এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নিখোঁজ ভিকটিমকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।র্যাব সূত্রে জানা যায় গত ৯ জুন সকালে কলেজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর ওই শিক্ষার্থী আর বাড়িতে ফেরেনি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে একই দিন রামু থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।নিখোঁজের বিষয়টি জানার পর র্যাব-১৪ এর একটি গোয়েন্দা দল ছায়াতদন্ত শুরু করে। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীর অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে বুধবার (১০ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আশেকপুর বাইপাস এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।র্যাব জানায়, উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।র্যাব-১৪ এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অপহরণ, নিখোঁজ ও অন্যান্য চাঞ্চল্যকর অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা সর্বদা তৎপর রয়েছে।
সখিপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে টানা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা: চরম ভোগান্তিতে জনজীবন অনিশ্চয়তার অন্ধকারে হাজারো গ্রাহক টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে গত ৯ জুন ২০২৬ তারিখ দুপুর থেকে শুরু হওয়া বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা এখন ভয়াবহ জনদুর্ভোগের রূপ নিয়েছে। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না থাকায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ ক্রমেই তীব্রতর হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হওয়ার পর থেকে তারা বারবার সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা বা নির্দিষ্ট সময়সীমা পাননি। বরং কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১১ জুনের মধ্যে সংযোগ পুনঃস্থাপন সম্ভব না হলে কবে নাগাদ বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে সে বিষয়েও তারা নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে সক্ষম নন। এমন বক্তব্যকে চরম দায়িত্বহীনতা ও গ্রাহকসেবার প্রতি অবহেলার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল। একবিংশ শতাব্দীর প্রযুক্তিনির্ভর সময়ে একটি পৌর এলাকার হাজারো মানুষকে দিনের পর দিন বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রেখে পুনঃসংযোগের সম্ভাব্য সময়সীমা সম্পর্কেও কোনো স্পষ্ট ধারণা দিতে না পারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।দীর্ঘস্থায়ী এই বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণে এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা কার্যক্রম, চিকিৎসাসেবা যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রচণ্ড গরম ও অসহনীয় আবহাওয়ার মধ্যে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে, নষ্ট হচ্ছে ফ্রিজে সংরক্ষিত খাদ্যসামগ্রী এবং ব্যাহত হচ্ছে অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন সেবা কার্যক্রম।স্থানীয়দের মতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট কোনো অস্বাভাবিক ঘটনা নয়; তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ পৌর এলাকায় টানা কয়েকদিন বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকার পরও সমস্যার প্রকৃতি, সমাধানের অগ্রগতি কিংবা সম্ভাব্য পুনঃসংযোগের সময় সম্পর্কে কর্তৃপক্ষের অস্পষ্ট ও অনিশ্চিত অবস্থান অত্যন্ত হতাশাজনক।এলাকাবাসী অবিলম্বে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনঃস্থাপন, বিভ্রাটের প্রকৃত কারণ প্রকাশ এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় জনদুর্ভোগ আরও প্রকট আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।
ভূঞাপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ট্যাপেন্টাডলসহ আটক ১, কারাদণ্ড টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নিলয় ফার্মেসিতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৬ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মো. আব্দুল জলিল মিয়াকে আটক করা হয়েছে।ওঅভিযানকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযুক্তকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।পরে আদালতের আদেশে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ বিক্রয় রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসনের এ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে বলে জানানো হয়েছে
শামীম শাহরিয়ার
বিভাগ, জেলা বা উপজেলা নির্বাচন করে সংবাদ দেখুন
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সরাসরি দায়ী করেছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স-এর বরাতে জানা গেছে, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার-এর সঙ্গে এক টেলিফোন আলাপে তিনি এ মন্তব্য করেন। ফোনালাপে আরাঘচি বলেন, চলমান সংকট শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর প্রভাব বিশ্বজুড়েও ছড়িয়ে পড়ছে। এ পরিস্থিতির জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নীতিকেই দায়ী করেন। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান তার সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা রক্ষায় “সব ধরনের উপায়” অবলম্বন করতে প্রস্তুত এবং এ ক্ষেত্রে তাদের অবস্থান অত্যন্ত দৃঢ়। অন্যদিকে, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার চলমান সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি যুদ্ধরত পক্ষগুলোকে সামরিক উত্তেজনা কমিয়ে আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানোর আহ্বান জানান। পাশাপাশি, এই লক্ষ্য অর্জনে সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন। এদিকে, পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক অবস্থান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য সোমবার পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। অন্যথায় কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনা যদি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা না যায়, তবে তা বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
ওয়াশিংটন ডিসি থেকে প্রতিবেদন—ইরানের ভূখণ্ডে বিধ্বস্ত একটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে। মার্কিন সরকারের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, গত রাতে ওই ক্রু সদস্যকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাকে উদ্ধারে একটি সক্রিয় অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। জানা গেছে, উদ্ধার অভিযানের সময় তুমুল গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ওই ক্রু সদস্য এখনও ইরানের ভেতরেই অবস্থান করছেন এবং চলমান সংঘাতের কারণে তার নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মার্কিন সামরিক সূত্র জানায়, ‘এয়ারম্যান’ শব্দটি ব্যবহার করা হলেও এটি কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গ নির্দেশ করে না। ফলে নিখোঁজ ওই ব্যক্তির লিঙ্গ এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। এদিকে, উদ্ধারকারী দল এখনো তাকে নিরাপদে ইরানের বাইরে নিয়ে যেতে পারেনি। অভিযানটি এখনও চলমান এবং এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারেনি যে উদ্ধার কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে কিনা। পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের কারণে আন্তর্জাতিক মহলেও এ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে মার্কিন-সংশ্লিষ্ট স্থাপনা ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে প্রতিবেদনে সাংবাদিক Zein Basravi জানান, যুদ্ধের শুরু থেকেই ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছিল—তাদের ওপর কোনো হামলা হলে তারা এটিকে একটি আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ দেবে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের স্বার্থে আঘাত হানবে। সেই হুঁশিয়ারির বাস্তব প্রতিফলন এখন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান ইতোমধ্যে জ্বালানি অবকাঠামোতে আঘাত হেনেছে, বিভিন্ন বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে এবং একাধিক দেশের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। এসব পদক্ষেপে উপসাগরীয় অঞ্চলের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা হঠাৎ করেই স্থবির হয়ে পড়েছে। আজও Gulf Cooperation Council-ভুক্ত শহরগুলোতে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার তীব্রতা ইরানের সরাসরি আক্রমণের মতো না হলেও, এর ধারাবাহিকতা ও প্রভাব স্থানীয় জনগণের দৈনন্দিন জীবনে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতিতে একটি বিষয় স্পষ্ট—যুদ্ধের আরও সম্প্রসারণ কোনো পক্ষের জন্যই ইতিবাচক নয়। কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি সামরিক অভিযান আরও জোরদার করে, তাহলে এর সরাসরি প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরানের পাল্টা হামলাও বাড়বে। এদিকে, ইরানের সামরিক বাহিনী Islamic Revolutionary Guard Corps দাবি করেছে, তাদের লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে রয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, মার্কিন ঊর্ধ্বতন কমান্ডার ও প্রশিক্ষক, একটি ইসরায়েলি বাণিজ্যিক জাহাজ, কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটির হিমার্স আর্টিলারি অবস্থান, বাহরাইনে প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন স্থাপনা। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান Oracle Corporation-এর একটি স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে, যেখানে ধ্বংসাবশেষের আঘাতে ভবনের কিছু অংশ ভেঙে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের এই ধারাবাহিক হামলা তাদের একটি সুস্পষ্ট কৌশলের অংশ, যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকতে পারে। এর ফলে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর সাম্প্রতিক হুমকিকে কেন্দ্র করে। তিনি ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার একটি আল্টিমেটাম দিয়ে বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে দেশটির ওপর ‘ভয়াবহ বিপর্যয়’ নেমে আসবে। সোমবার শেষ হতে যাওয়া এই সময়সীমা মূলত ট্রাম্পের ধারাবাহিক কঠোর অবস্থানেরই অংশ, যেখানে তিনি একের পর এক ডেডলাইন ঘোষণা করে আসছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের আল্টিমেটাম পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলছে এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথকে সংকুচিত করছে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে সাম্প্রতিক সামরিক ঘটনাপ্রবাহে। গত কয়েকদিন ধরে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার হাতে ভূপাতিত হওয়া এক মার্কিন পাইলটের সন্ধান চলছে। তবে উদ্ধার অভিযান বাধাগ্রস্ত হয়েছে, কারণ অনুসন্ধান ও উদ্ধার কাজে নিয়োজিত দুটি হেলিকপ্টারও ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। যদিও ওই হেলিকপ্টারের ক্রুদের নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশল নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে, সম্প্রতি মোতায়েন করা বি-৫২ বোমারু বিমান নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে ওয়াশিংটনকে। ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছিল, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যত অকার্যকর হয়ে গেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনায় সেই দাবির সত্যতা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া যেমন ঝুঁকিপূর্ণ, তেমনি কূটনৈতিক সমাধানের পথও ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। হরমুজ প্রণালী, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট, সেটিকে ঘিরে উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারেও এর বড় প্রভাব পড়তে পারে। সব মিলিয়ে, ট্রাম্পের নতুন আল্টিমেটাম মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতিকে আরও ঘনীভূত করেছে, আর বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে—এই সময়সীমা শেষ হলে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”