রাজনীতি

বিএনপি নেতা ফরহাদ ইকবাল ও মেহেদী হাসান আলীমসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

reporter-icon
মো: সাজিদ পিয়াল: সিনিয়র রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ | 0
টাঙ্গাইলে রাজনৈতিক উত্তেজনা: সাবেক বিএনপি নেতা ফরহাদ ইকবাল ও মেহেদী হাসান আলীমসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা, পাল্টা অভিযোগটাঙ্গাইলে রাজনৈতিক অঙ্গনে ফের উত্তেজনা ছড়িয়েছে। টাঙ্গাইল সদর থানায় দায়ের করা একটি মামলায় সাবেক বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল ও মেহেদী হাসান আলীমসহ ২১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগের সৃষ্টি হয়েছে।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায় টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে গত ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখ দুপুরআনুমানিক ১টার দিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর দোয়া মাহফিল উপলক্ষে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের দাওয়াত দিতে যান আবু নাসের আল আমিন পাপন ও তার সহযোগীরা। এ সময় শান্তিকুঞ্জ রোডস্থ সিএনজি শ্রমিক অফিসের সামনে পৌঁছালে অভিযুক্তরা তাদের পথরোধ করেন বলে অভিযোগ করা হয়।এজাহারে উল্লেখ করা হয় ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে কাজ না করার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয় এবং প্রতিবাদ করলে অভিযুক্তরা এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন। ধারালো অস্ত্র, লোহার রড ও হকিস্টিক দিয়ে হামলার অভিযোগ তুলে কয়েকজনকে গুরুতর জখম করার কথা বলা হয়েছে। আহতদের মধ্যে সাব্বির আহম্মেদ সাদী ও বিপ্লব আরেফিন খানের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানানো হয়েছে। তাদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।মামলায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে সাবেক বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল ও মেহেদী হাসান আলীমের নাম উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া আরও ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা ও আসামিদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহে ব্যস্ত থাকায় মামলা দায়েরে বিলম্ব হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। এদিকে মামলা দায়েরের পর অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা। তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দিয়ে বিএনপির দুর্দিনের নেতাকর্মীদের নামে মামলা দেওয়া হয়েছে এবং এতে টাঙ্গাইল সদরের জনগণ তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হবে না।তিনি আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচনে জয়লাভের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাকর্মীদের পুনর্বাসন করা হয়েছে এবং তাদের দিয়ে রাজনৈতিকভাবে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়তে পারে।
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

রাজনীতি

আরও পড়ুন
মন্ত্রিসভায় আহমেদ আজমকে দেখতে চায় বাসাইল–সখীপুরের মানুষ
মন্ত্রিসভায় আহমেদ আজমকে দেখতে চায় বাসাইল–সখীপুরের মানুষ

টাঙ্গাইলের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন এডভোকেট আহমেদ আজম খান। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকার কারণে মন্ত্রিসভায় তাঁকে দেখতে চায় টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল–সখীপুর) আসনের জনগণ। স্থানীয় রাজনৈতিক মহল মনে করছে, তাঁর নেতৃত্বে অবহেলিত এ অঞ্চলের উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে। স্থানীয়রা জানান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–এর দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় থাকা এবং নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর কারণে আহমেদ আজম খান ইতোমধ্যে তৃণমূলের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর মেধা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার স্বীকৃতি দিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব দেওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রত্যাশা আরও বেড়েছে। কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মামুন অর রশীদ খান বলেন, “আমরা গর্বিত যে আমাদের নেতা তারেক রহমান অত্যন্ত দূরদর্শিতার সঙ্গে আহমেদ আজম খান ভাইয়ের অবদানকে মূল্যায়ন করেছেন। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁকে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দিলে বাসাইল–সখীপুরবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হবে।” বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক ওয়াদুদ হোসেন খান বলেন, “তিনি একজন তৃণমূলের নেতা। মানুষের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে থাকেন। আমরা চাই তিনি মন্ত্রিসভায় স্থান পান, যাতে এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।” তরুণ উদ্যোক্তা তানভীর ইসলাম রিপনের মতে, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। অন্যদিকে নারী সংগঠক সুমনা ইসলাম রিলি আশা প্রকাশ করে বলেন, দায়িত্ব পেলে নারীশিক্ষা, নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হবে। বাসাইল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন আল জাহাঙ্গীর বলেন, “শত বছরের পুরনো থানা বাসাইল থেকে আজ পর্যন্ত কেউ জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব বা মন্ত্রী হওয়ার সুযোগ পায়নি। দলের দুঃসময়ে পাশে থাকা আহমেদ আজম খান বাসাইল-সখীপুরবাসীর দীর্ঘদিনের আশা ও ভরসার প্রতীক। তাঁকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী করা হলে অবহেলিত এই অঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হবে।” স্থানীয়দের মতে, সখীপুরসহ পুরো এলাকায় অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়ন এখন সময়ের দাবি। তাদের বিশ্বাস, আহমেদ আজম খান মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হলে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং টাঙ্গাইলের সামগ্রিক অগ্রগতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আহমেদ আজম খান ১ লাখ ১৪ হাজার ২১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর পান ৭৭ হাজার ১৩০ ভোট। এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে তিনি এলাকায় শক্ত রাজনৈতিক অবস্থান তৈরি করেন, যা এখন তাঁকে জাতীয় পর্যায়ের দায়িত্ব পাওয়ার আলোচনায় সামনে নিয়ে এসেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি থেকে টাঙ্গাইলে আলোচনায় আফরোজা খন্দকার (নিপু)

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি থেকে টাঙ্গাইলে আলোচনায় আফরোজা খন্দকার (নিপু)

বিএনপি নেতা ফরহাদ ইকবাল ও মেহেদী হাসান আলীমসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে পরাজয়ের পরও উন্নয়নের অঙ্গীকার হারুনুর রশীদের

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি আসনেই জামায়াত প্রার্থীর বাজিমাত

 চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ৩টি সংসদীয় আসনেই  জামায়াতের   প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে প্রাথমিক ফলাফলে তাদের বিজয়ী ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শাহাদাত হোসেন মাসুদ।   ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ–১ (শিবগঞ্জ) আসনে বিজয়ী হয়েছেন রাজশাহী মহানগর জামায়াতে আমীর ড. কেরামত আলী। পোস্টালসহ তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ২০৬৮৯৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শাহজাহান মিয়া পেয়েছেন ১৬২৫১৫ ভোট।  চাঁপাইনবাবগঞ্জ–২ (নাচোল, গোমস্তাপুর, ভোলাহাট) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে সূরা সদস্য ড. মিজানুর রহমান। তিনি পেয়েছেন ১৭১২২৭। এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমিনুল ইসলাম পেয়েছেন ১৫৫১১৯ ভোট।  এছাড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ–৩ (সদর) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ও ঢাকা দক্ষিণ মহানগর জামায়াতের আমীর নুরুল ইসলাম বুলবুল। পোস্টালসহ ১৭৩টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১৮৯৬৪০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনত প্রার্থী হারুনুর রশীদ পেয়েছেন ১২৬৯৯৭ ভোট।  চাঁপাইনবাবগঞ্জ  জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং  কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন মাসুদ বলেন, জেলার ৩ টি সংসদীয় আসনেই   শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখন পর্যন্ত  কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।   

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইল-৫ আসনে শেষ হাসি কার—নির্ধারণ করবে ভোটের অঙ্ক

ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমের নেতৃত্বে সরিষাবাড়িতে জয়লাভের প্রত্যয়

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে এডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টুর আখেরি মিছিল ও জনসভা

কালিহাতীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী সমর্থক এবং ধানের শীষ প্রতীক সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ

কালিহাতীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী সমর্থক এবং ধানের শীষ প্রতীক সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে বিএনপির (ধানের শীষ) প্রতীকের প্রার্থী লুৎফর রহমান মতিনের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে স্বতন্ত্র (হাঁস) প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিএনপির নেতাকর্মীরা মিছিল বের করে কালিহাতী থানা গেট অবরোধ করেন।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের লুহুরিয়া বাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে বিএনপির অন্তত পাঁচজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।হামলায় আহতরা হলেন—নারান্দিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও নারান্দিয়া ইউনিয়ন ধানের শীষের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলাউদ্দিন আল আজাদ পালিমা গ্রামের নজরুল ইসলাম কামাল কাজিম উদ্দিন ও আব্দুল কুদ্দুস।ঘটনার প্রতিবাদে ওই রাতেই কালিহাতী উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে একটি প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি কালিহাতী থানা এলাকা থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে থানার সামনে এসে শেষ হয়। সেখানে নেতাকর্মীরা হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।বিএনপির নেতাকর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, রাতে লুহুরিয়া বাজার এলাকায় বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী লুৎফর রহমান মতিনের কর্মীরা নির্বাচনী প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ করছিলেন। এ সময় তারা বাজারে অবস্থিত বিএনপির অফিসে অবস্থান নিলে হঠাৎ করে স্বতন্ত্র (হাঁস) প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর সমর্থকরা অতর্কিত হামলা চালায়।এ বিষয়ে বিএনপির প্রার্থী লুৎফর রহমান মতিন বলেন ঘটনাটি আমরা পুলিশকে জানিয়েছি। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনের সব কার্যক্রম পরিচালনা করতে চাই। হামলার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমরা একটি সুষ্ঠু অবাধ ও স্বাভাবিক নির্বাচনী পরিবেশ প্রত্যাশা করি।তবে এ ঘটনায় স্বতন্ত্র (হাঁস) প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বা তার পক্ষের কোনো নেতাকর্মীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জে.এ.এম.তৌফিক আজম বলেনহামলার ঘটনায় আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ 0

ঢাকা-৫ এ বিএনপির গণমিছিলে জনতার ঢল; পরিবর্তনের ডাক আলহাজ্ব নবী উল্লাহ নবীর

সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে শহর বিএনপির নির্বাচনী মিছিল

ধানের শীষের প্রচারণায় সিলেটে পর্তুগাল বিএনপির আহ্বায়ক আবু ইউসুফ তালুকদার

ধানের শীষের প্রচারণায় সিলেটে পর্তুগাল বিএনপির আহ্বায়ক আবু ইউসুফ তালুকদার

0 মন্তব্য