মতামত

টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর মতবিনিময় সভা

reporter-icon
মো: সাজিদ পিয়াল: সিনিয়র রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ | 0

টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর মতবিনিময় সভা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মহোদয়ের সঙ্গে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইল সদর উপজেলার উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত এ সভায় কৃষি মৎস্য প্রাণিসম্পদ খাদ্যসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভাস্থল ছিল টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদ।সভায় উপজেলার কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের টেকসই উন্নয়ন খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার এবং সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নাধীন কর্মসূচির অগ্রগতি প্রতিবন্ধকতা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাও উপস্থাপন করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন সরকারের অঙ্গীকার হচ্ছে কৃষক জেলে ও খামারিদের জীবনমান উন্নয়ন এবং দেশের খাদ্য উৎপাদনব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা। তিনি বলেন তৃণমূল পর্যায়ে সেবার মান বৃদ্ধি ও সময়োপযোগী প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়াতে হবে। কৃষিকে লাভজনক ও আধুনিক খাতে রূপান্তর করতে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন মাঠপর্যায়ে নিয়মিত তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। কোনো প্রকল্প বাস্তবায়নে গাফিলতি বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন। পাশাপাশি কৃষকদের সমস্যা দ্রুত সমাধান এবং সরকারি সহায়তা সঠিক উপকারভোগীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন।সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা নিজ নিজ দপ্তরের কার্যক্রম তুলে ধরে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কথা জানান এবং কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা কামনা করেন। প্রতিমন্ত্রী তাদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।উপজেলা পর্যায়ে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করতে এ ধরনের মতবিনিময় সভা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

মতামত

আরও পড়ুন
সিরাজগঞ্জে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগ সংক্রান্ত ব্রিফিং প্যারেড

সিরাজগঞ্জে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগ সংক্রান্ত ব্রিফিং প্যারেড সিরাজগঞ্জ ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ইং সেবার ব্রতে চাকরি প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ লাইন্সে বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত হয় আসন্ন ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদের নিয়োগ সংক্রান্ত ব্রিফিং প্যারেড।ব্রিফিং অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিরাজগঞ্জ জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম সানতু বিপিএম (বার) মহোদয়। পুলিশ সুপার প্রার্থীদের বাছাই প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, ন্যায্যতা ও দক্ষতার ওপর জোর দিয়ে নিয়োগ কার্যক্রম সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে নিয়োগ ডিউটিতে নিয়োজিত অফিসার ও ফোর্সদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে অবগত করেন।তিনি নির্দেশ দেন যোগ্য প্রার্থীকে সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে বাছাই করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল পুলিশ সদস্য সততা নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন।ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সিরাজগঞ্জ জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণসহ নিয়োগ কার্যক্রমে নিয়োজিত সকল পদমর্যাদার অফিসার ও ফোর্স। অনুষ্ঠানটি প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট ফোর্সদের মধ্যে প্রশিক্ষণ ও দায়িত্ব সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো তুলে ধরার ক্ষেত্রে সহায়ক হয়েছে।

এপ্রিল ১৪, ২০২৬ 0

সিরাজগঞ্জ জেলায় রাজশাহী রেঞ্জের অপরাধ পর্যালোচনা সভা – মার্চ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রী সফর উপলক্ষে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিং অনুষ্ঠিত

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি), সিরাজগঞ্জ-এঁর বদলীজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জে জেলা পুলিশের আয়োজনে মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সিরাজগঞ্জ পুলিশ লাইন্সের শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা কনস্টেবল আলাউদ্দিন ড্রিলশেডে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সিরাজগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম সানতু, বিপিএম (বার)। কল্যাণ সভায় জেলার সকল থানা, কোর্ট, ফাঁড়ি, ক্যাম্প, ট্রাফিক ও পুলিশ লাইন্সের ইনচার্জসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। সভায় ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মাসে কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পাঁচজন পুলিশ সদস্যকে অর্থ পুরস্কার, সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।সভায় পুলিশ সুপার বলেন, জেলার পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ ও কর্মপরিবেশ উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধি ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতে এসব পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি পুলিশের করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়সমূহ যথাযথভাবে অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।কল্যাণ সভা শেষে উল্লাপাড়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান শাকিলের পদোন্নতিজনিত বিদায় উপলক্ষে তাকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।সভাটি সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব আসাদুজ্জামান।পরবর্তীতে পুলিশ অফিস সম্মেলন কক্ষে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় রুজুকৃত মামলাসমূহের বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয় এবং তদন্তের মানোন্নয়ন, গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল, মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ সার্বিক পুলিশি সেবার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপারগণ, সহকারী পুলিশ সুপারগণ এবং জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জসহ ইউনিট ইনচার্জবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার মহাসচিবের সাথে টাংগাইল জেলা কমিটির মতবিনিময়

জামালপুর জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।১৭ ই মার্চ বিকেল পাঁচটার সময় জেলা ইউনিটের অস্থায়ী কার্যালয় এ আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল আলোচনা দোয়া ও ইফতার মাহফিল।জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটেরআহ্বায়ক মাছুদুর রহমান মিলনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের উপদেষ্টা ও সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা বিএনপির সাবেক সভাপতি নাসিম এম খান রুনু। অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার জেলা ইউনিটের যুগ্ন আহবায়ক বোরহান তালুকদার,আবুল কালাম সিদ্দিকী নিপু, খায়রুজ্জামান মিলটন,মাসুম খান শহিদুল ইসলাম খান রুমি আবু তাহের, একদিন হোসেন,কামাল হোসেন মাহিরুল ইসলাম, শোয়েব হাসান, এ এম ইকবাল সাইদুর রহমান পলাশ কেরামত আলী, ফজলুল হক,মির্জাপুর উপজেলা ইউনিটের সভাপতি মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, নাগরপুর উপজেলা ইউনিটের সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক বাবু দেলদুয়ার উপজেলা ইউনিটের সভাপতি বাবলু মিয়া সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান কালিহাতী উপজেলা ইউনিটের সভাপতি সৈয়দ মহসিন হাবিব সবুজ, সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব কুমার সরকার ঘাটাইল উপজেলা ইউনিটের সভাপতি ইয়ামিন হাসান সাধারণ সম্পাদকের রিপন মিয়া, মধুপুর উপজেলা ইউনিটের সভাপতি আব্দুল হামিদ, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক,ভয়াপুর উপজেলা ইউনিটের সভাপতি আল-আমিন শোভন,সাধারণ সম্পাদক মামুন সরকার গোপালপুর উপজেলা ইউনিটের আহ্বায়ক ইকবাল খান, সদস্যসঢিব বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী ধনবাড়ি উপজেলা ইউনিটের আহ্বায়ক কবি সোহান হাসান বাসাইল উপজেলা ইউনিটের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম, সখিপুর উপজেলা ইউনিটের আহ্বায়ক আলতাব হোসেন, এলেঙ্গা আঞ্চলিক ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক বুলবুল আহমেদ শিকদার প্রমুখ। উল্লেখ্য যে,ইফতারের পূর্বে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান,সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার জেলা ইউনিটের সাবেক সভাপতি কবি আক্তার হানিফ সাবেক সহ-সভাপতি এনামুল হক দিনা,মধুপুর উপজেলা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক বাবুলরানা,ধনবাড়ী উপজেলা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক জীবন মাহমুদ শক্তি কালিহাতী উপজেলা ইউনিটের সাবেক সভাপতি স্বপন সিদ্দিকীসহ যে সকল সদস্য প্রয়াত হয়েছেন তাদের সকলের জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।

মার্চ ১৭, ২০২৬ 0

প্রধানমন্ত্রীর টাঙ্গাইল আগমন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্সে কিট প্যারেড: শৃঙ্খলা পেশাদারিত্ব ও জনসেবায় জোর

জীবন উৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যদের পরিবারকে নগদ অর্থ ও উপহার সামগ্রী বিতরণ

0 মন্তব্য